“জাস্টিস ডিলেইড, জাস্টিস ডিনাইড”

জুন 26, 2010


২৫ বছরেরও বেশি সময় লাগল ভুপাল গ্যাস দুর্ঘটনার বিচার শেষ হতে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্য নিযুক্ত চেয়ারপার্সন কে.জি. বালকৃষ্ণণও মানছেন যে রায় বেরোতে বেশ দেরিই হয়েছে। কিন্তু শুধুই কি দেরি- যে দুর্ঘটনায় ২৫,০০০ মানুষের মৃত্যু হল, যে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হয়ে চিরতরে বিকলাঙ্গ হয়ে গেল আরও কয়েকটি প্রজন্ম, যে দুর্ঘটনার জেরে আজও জন্মাচ্ছে বিকলাঙ্গ শিশু-সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাজা মাত্র দু’বছর? এই ২৫ বছরে আক্রান্তদের অনেকেই মারা গেছেন, আর যারা এখনও বেঁচে আছেন তাদের মধ্যে অনেকে শরীরে বিষ নিয়ে প্রতিদিনকার জীবনসংগ্রামে লড়াই করতে করতে হতাশায় মানসিক রোগগ্রস্ত- যাদের সামান্য আয়ের সিংহভাগই খরচ হয়ে যায় চিকিৎসায় – শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের আশায় বুক বেধে দলে দলে হাজির হয়েছিলেন আদালতের বাইরে। তাদের কাছে এই রায় কি বার্তা বয়ে আনে, রাষ্ট্রের প্রতি- বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাদের কতটা আস্থাশীল করতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। এই দীর্ঘ সময়ে নদীতে অনেক জল বয়ে গেছে- আক্রান্ত মানুষগুলো এবং কিছু নাছোড়বান্দা মানুষ-N.G.O. কর্মী বাদ দিয়ে বাকি ভারতবাসী ঐ ঘটনার কথা-ঐ মানুষগুলোর কথা ভুলেই গেছে। যাদের বয়স কম তারা জানেই না এই ঘটনার কথা। বিচারে দেরীর কি এটাই উদ্দেশ্য? (পরবর্তী অংশ)

Advertisements

ব্যবসা-ভিক্ষাবৃত্তি

জুন 12, 2010


গাড়ি করে চলেছেন গন্তব্যের দিকে- ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে পরেছেন-একটা অপরিচ্ছন্ন, অশক্ত, অভুক্ত মানুষের করুন হাত আপনার দিকে এগিয়ে এলো-”দুটো পয়সা দেবেন”- এ অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই কম বেশী আছে। বড় বড় রেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, মন্দির-মসজিদ বা যেখানে লোক সমাগম বেশী সেখানে এদের উপস্থিতি আমাদের সবারই নজরে পরে প্রতিনিয়তই। ছোট ছোট শিশু, অস্থিচর্মসার বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, রুগ্ন মহিলা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধি মানুষগুলোর ভিক্ষের জন্য করুণ আর্তিতে বেদনাহত হয়ে বা অনেক সময় পূণ্যলাভের আশায় -আমরা কিছু সাহায্য করি। কিন্তু আমরা যেটা অনেকেই জানিনা যে ওই ভিক্ষার অর্থ যা আমরা ভিখিরিটির হাতে তুলে দিলাম তাতে হয়তো তার কোনোই অধিকার নেই।
(পরবর্তী অংশ)


অবশেষে বৃষ্টি নামলো

জুন 7, 2010


গত প্রায় পনের দিন হবে বৃষ্টির দেখা নেই। তাপমাত্রা ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে কি হবে আপেক্ষিক আদ্রতা ৯০ শতাংশের ওপরে। ফলে হাঁসফাঁস অবস্থা। অস্বস্তি সূচক যত চড়ছে পথে-ঘাটে, হাটে-বাজারে, অফিস-কাছারিতে মানুষের মেজাজও পাল্লা দিয়ে চড়ছে। ট্রেনে, বাসে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, অফিসে সামান্য কারনেই মেজাজ গরম। তবে একটাই যা শান্তি যে রাজনীতির দাদা-দিদিদের মেজাজ এখন ঠান্ডাই আছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাষ-সেই রোজই এক কথা- “দুএক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কোন কোন জায়গায় বজ্রবিদ্যুতসহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে”। আবহাওয়া দপ্তরের এই পূর্বাভাষ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত্য চালিয়ে যাবে। সুন্দর বের করেছে ফর্মাটা, পূর্বাভাষ মিলবেই মিলবে। যদিও প্রচলিত এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মত হল আবহাওয়া অফিস বৃষ্টির পূর্বাভাষ দিলে নিশ্চিন্তে ছাতা না নিয়েই বেড়নো যায়। আবার এরকমও অনেকে বলে ”যাও বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, আবহাওয়া অফিস যখন বলেছে আর হবে না। (পরবর্তী অংশ)