স্বর্গে একদিন

ডিসেম্বর 28, 2010

“ওঠো ওঠো বঙ্গবাসী
ঘুমায়ো না আআআ..র”

কানের পাশে তারস্বরে চিৎকারে ঘুমটা চটে যেতে চোখ খুলেই দেখি আমার বিছানার পাশে মাথায় ঝুটি বাঁধা কপালে তিলক কাটা বীণা হাতে এক মূর্তি। দেখেই মেজাজ সপ্তমে চড়ে গেল, “কে হে তুমি আমার ঘরের মধ্যে সটান ঢুকে গেছ। সাহস তো কম নয়।”
মূর্তিমান স্মিত হেসে বলল, “শান্ত হও, আমি নারদ”।
“কে নারদ কোনও নারদ ফারদকে আমি চিনি না। কে তুমি ঠিক করে বলোতো বাপ। না হলে পুলিশ ডাকবো”।
“আরে আমি নারদ। স্বর্গের নারদ। ভগবান বিষ্ণুর সেবাদাস”
“অঃ বিষ্ণুর হেড চামচে নারদ। তা আমার কাছে কি চাই?”
“ব্রহ্মা তোমাকে স্বর্গের বিশেষ অধিবেসনে দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে তোমার জন্য পুষ্পক রথ পাঠিয়েছেন।। আমি তোমাকে নিয়ে যেতে এসেছি। তোমার বাড়ীর ছাদে রথ অপেক্ষা করছে। তাড়াতাড়ি তৈরী হয়ে নাও।”পুষ্পক রথের কথা শুনেই মনে বেশ পুলক জাগলো, ঝটপট তৈরী হয়ে ছাদে ঊঠে রথে চরে বসলাম। (পরবর্তী অংশ)


কিয়োটো চুক্তি-এক বাতিল কাগজ?

ডিসেম্বর 15, 2010


মেক্সিকোর কানকুন সমুদ্রসৈকতের বিলাসবহুল রিসর্টে দু’সপ্তাহ ধরে চলা চাপান উতর শেষে সর্ব্বসম্মত ভোট ছাড়াই শেষ হল বৈঠক। ঠিক গত বছর কোপেনহেগেনে যা ঘটেছিল ঠিক যেন সেই চিত্রনাট্যেরই পুনরাবৃত্তি। কিয়োটো পরিবেশ চুক্তি যে এই ভাবে এক বছর থেকে পরের বছরের পরিবেশ শীর্ষ বৈঠকে চালান হতে হতে বাতিল কাগজের ঝুড়িতে স্থান পাবে, সে নিয়ে প্রায় আর কোনও সন্দেহ নেই। ২০১০ -এ কিয়োটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। হয়নি তার মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যে কোনও চুক্তি। স্বভাবতই উন্নত দেশগুলো খুশি। শেষ পর্যন্ত বেশ সফলভাবেই তারা প্রায় ভেস্তে দিল কিয়োটো চুক্তিকে। (পরবর্তী অংশ)


অঞ্জাতবাস

ডিসেম্বর 8, 2010

নাঃ, অঞ্জাতবাসে আর থাকা গেল না।
পান্ডবদের কথা মনে আছেতো- শর্ত ছিল অঞ্জাতবাসে ধরা পরে গেলে আবার বা..রো বছর বনবাস।
কিছু দিন নিজেকে নিজের কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছিল। আমার সব কিছু আমাতেই আছে তো। আয়নার সামনে দাঁড়ালাম, না ওপর ওপর সব ঠিকই আছে। মুখ, চোখ, নাক, কান সবই ঠিকই মনে হচ্ছে। ঠোঁটের কোণের শূন্যকলস ঢাকা দেওয়া সবজান্তা হাসিটিও ঠিক ঠাক। তবুও সন্দেহটা যাচ্ছিল না বুক পকেটের নীচের যন্ত্রটা যেন মনে হচ্ছে গোলমাল করছে। পুরোনো ভাইরাল রোগটাই ফিরে এলো না কি? হু.. মনে হচ্ছে তাই। ভেতর থেকে ভাইরাসটা বলে চলেছে, ”কি করছিস ভেবে দেখেছিস। ভাবছিসতো ফাটিয়ে দিচ্ছিস আসলে পুরোটাই ফোক্কা-ভষ্মে ঘি”। ঝাঁজিয়ে বললাম, “কেন একথা বলছিস কেন কিছুই কি করছি না।” ও বলল, “তুই বলছিস, কিন্তু দর্শকরা? স্টেজে উঠলে দু’হাজার ওয়াটের স্পটগুলো তোর মুখেই পড়বে। ফোকাসের জোড়ালো আলোয় শুধু সহ অভিনেতাদের মুখই শুধু দেখা যায় দর্শকদের মুখ দেখা যায় না, ঝাপসা কিছু অবয়ব, এই ব্যাপারটাই ভুলে মেরে দিয়েছিস?” এবার আমি ঘাবরে গেলাম। আর ভাইরাসটাও আমার ওপর চেপে বসলো। আর ঠিক সেই মূহুর্তেই মনে পরে গেলো পিনাকিদার এককালে লেখা এই লাইন কটা- (পরবর্তী অংশ)