“প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরতো জানা….”

সেপ্টেম্বর 1, 2010


প্রশ্নঃ
সম্প্রতি সীতারাম ইয়েচুরির একটা মন্তব্য খবরের কাগজে দেখলাম। বলেছেন, “যখন ছাত্র সংগঠন করতাম দেখতাম দপ্তরের বাইরে অনেক সাইকেল। তারপর যখন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হলাম দেখতাম দপ্তরের বাইরে অনেক স্কুটার। আর এখন পলিটব্যুরোর সদস্য, এখন দপ্তরের বাইরে দেখি গাড়ীর মেলা। জানি না এটা উন্নতি না বিচ্যুতি।”
উত্তরঃ
আমি নিজে কোনো মন্তব্য করব না, কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ২৫ বছর আগে লেখা একটা কবিতা দিয়ে দিলাম–

    ঘোড়া

"কাল থেকে ঠিক পালটে যাব
দেখে রাখিস তোরা,"
বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়ল অশ্বমেধের ঘোড়া
পথের মধ্যিখানে ।
 (পরবর্তী অংশ)

সাবধান–“জিউস”

অগাষ্ট 26, 2010


গ্রীক পুরানে দেবতাদের রাজা সর্বশক্তিমান জিউস। তার নামেই নামকরন ‘জিউস-ভি থ্রী’, ইনিও সর্বশক্তিমান, এর এখনও কোন প্রতিরোধক এখনও পর্যন্ত নেই, ইনি একজন কম্পিউটার ভাইরাস। এর হামলায় সম্প্রতি ব্রিটেনের একটা ব্যাঙ্ক থেকে ৭ লক্ষ পাউন্ড উধাও হয়ে গেছে। পৃথিবীর অন্যতম উন্নতমানের সাইবার অপরাধের তালিকাভুক্ত হয়েছে এই ঘটনা। এই অভিনব চুরির জন্য চোরেরা ব্যবহার করেছে এই মারাত্বক কম্পিউটার ভাইরাস। (পরবর্তী অংশ)


“বিরহের গান”

অগাষ্ট 19, 2010


বহু দূরের অসীম আকাশ আজ বনরাজিনীলা পৃথিবীর শিয়রের কাছে নত হয়ে পড়ল। কানে কানে বললে, “আমি তোমারই।”

পৃথিবী বললে, “সে কেমন করে হবে। তুমি যে অসীম, আমি যে ছোট।”

আকাশ বললে, “আমি তো চার দিকে আমার মেঘের সীমা টেনে দিয়েছি।”

পৃথিবী বললে, “তোমার যে কত জোতিষ্কের সম্পদ, আমার তো আলোর সম্পদ নেই।”

আকাশ বললে, “আজ আমি আমার চন্দ্র সূর্য তারা সব হারিয়ে ফেলে এসেছি, আজ আমার একমাত্র তুমি আছ।” (পরবর্তী অংশ)


আমি আর ছোটলোক নই।

অগাষ্ট 13, 2010


না হে আমি আর ছোটলোক নেই। গত সাত দিনের মধ্যেই রাতারাতি বড়লোক হয়ে গেছি। এখন টাকাগুলো দিয়ে কি কি করা যায় সেটাই চিন্তা। তোমারাও পারলে একটু প্ল্যান ট্যান দিয়ে সাহায্য করো। কনস্যাল্টেন্সি ফি’এর চিন্তা নেই। ব্যাপারটা খুলেই বলি, দিন সাতেক আগে হঠাৎ মোবাইল ফোনে একটা মেসেজ- “তুমি দশ হাজার ডলার জিতেছ , নীচে দেওয়া ইমেল এড্রেসে যোগাযোগ কর”। আমি তখন হাওয়ায় উড়ছি, বেশ একটা ভালো দিন দেখে যোগাযোগ করবো। ও..মা.. এর মধ্যে কালকে দেখি আর একটা এস.এম.এস. – তাতে আর একজন বলছে আমি নাকি ৭৫০০০০ পাউন্ড লটারীতে জিতেছি। (পরবর্তী অংশ)


6th August, 1945

অগাষ্ট 7, 2010

(১৯৪৫-এর ৬ই আগষ্ট, সকাল আটটা বেজে পনেরো মিনিট, রৌদ্রকরোজ্জ্বল হিরোশিমার যে আকাশে উড়োজাহাজ ‘এনোলা গে’ ‘লিটিল বয়’কে বয়ে এনে ছেড়ে দিল, মাটি থেকে সেই ঊর্ধ্বাকাশে লক্ষ সূর্যের ঝলকানি থেকে তিন মাইল দূরে দাঁড়িয়েছিলেন ৩৩ বছর বয়স্কা ফুতাবা কিতাইয়ামা। বিস্ফোরণের ছ’ঘন্টা পরে কন্ঠনালী গলে যাবার আগে রেডক্রশ প্রতিনিধিদের কাছে অভিঞ্জতার যে নিদারুন চিত্রটি দেখিয়েছিলেন বর্ণনায়–নীচের সংলাপগুলি তারই টুকরো অংশ।)

কে যেন চিৎকার করে উঠল—প্যারাস্যুট, পারাস্যুট নামছে, কানে যেতেই চমকে আকাশের দিকে তাকালাম। পরমুহূর্তেই এক ঝলক নীলাভ সাদা আলো, যার কোনো শিখা নেই, আমার চোখ ধাঁধিয়ে দিল। দ্রুত ধাবমান রেলগাড়ির মতো পায়ের তলার মাটি দুলে উঠছে। মাটির ওপর আমি সটান পরে গেলাম। পরমুহূর্তেই ধ্বংসস্তুপের নীচে তলিয়ে যাচ্ছি, আমি চাপা পরে গেলাম বাড়িঘর, দেয়াল দরজা, কড়ি বরগার অন্ধকারে। তবু আপ্রান চেষ্টায় ভষ্ম আর ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে কোনোক্রমে বেরিয়ে এলাম। (পরবর্তী অংশ)


মাধুকরী-২

জুলাই 22, 2010


নিত্যদিন কাজের অকাজের নানা কথায় যে কথামালা আমরা গেঁথে চলেছি অবরত সেই কথায় কথায় কথার পাহার জমে ওঠে। প্রবহমান কথার স্রোতে কত পুরানো কথাই হারিয়ে যায় নতুন কথার ভিড়ে। যে পুরানো কথাটা এক সময় মহার্ঘ মনে হত আজ তা স্মৃতির অতলে তলিয়ে গেছে মূল্যহীন হয়ে। যে কথা শোনার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতাম একদিন আজ হয়ত তা গুরুত্বহীন। প্রবহমান সময়ের স্রোতে অনেক ডন্ড-পল অতিক্রম করে এসেছি, পেছন ফিরে চাইবার অবকাশ হয়নি, কিন্তু তারা আমায় একেবারে পরিত্যাগ করে নি, সমস্তটাই আমার বয়েসের অংকে যোগ হয়েছে। আজ মেঘলা আকাশের গুমোট আবহাওয়ায় আর ততধিক গুমোট সামাজিক আবহে কখনো সেই পুরোনো দিনের কোন বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে স্মৃতি পেছনটানে। (পরবর্তী অংশ)


বিশ্ব-উৎসবের শেষে

জুলাই 15, 2010


শেষ হয়ে গেল বিশ্বকাপ ফুটবল। এক মাস ব্যপি উৎসবের সমাপ্তি। রাত জেগে খেলা দেখা, পরদিন ঢুলুঢুলু চোখে অফিস যাওয়া। ফাইনাল খেলার দিন ভাবছি যেন ৯০ মিনিটেই খেলার নিষ্পত্তি হয়, তাহলে অন্তত পৌনে দু’টোয় শুতে পারব। কিন্তু না একস্ট্রা টাইমে গেলই- তখন ভাবছি ট্রাই ব্রেকারে যেন না যায়। যাক ট্রাই ব্রেকারে আর যেতে হয়নি। (পরবর্তী অংশ)