“বিরহের গান”

অগাষ্ট 19, 2010


বহু দূরের অসীম আকাশ আজ বনরাজিনীলা পৃথিবীর শিয়রের কাছে নত হয়ে পড়ল। কানে কানে বললে, “আমি তোমারই।”

পৃথিবী বললে, “সে কেমন করে হবে। তুমি যে অসীম, আমি যে ছোট।”

আকাশ বললে, “আমি তো চার দিকে আমার মেঘের সীমা টেনে দিয়েছি।”

পৃথিবী বললে, “তোমার যে কত জোতিষ্কের সম্পদ, আমার তো আলোর সম্পদ নেই।”

আকাশ বললে, “আজ আমি আমার চন্দ্র সূর্য তারা সব হারিয়ে ফেলে এসেছি, আজ আমার একমাত্র তুমি আছ।” (পরবর্তী অংশ)


চিরসখা, ছেড়ো না মোরে ছেড়ো না

মে 9, 2010


চিরসখা, ছেড়ো না মোরে ছেড়ো না।
সংসারগহনে নির্ভয়নির্ভর, নির্জনসজনে সঙ্গে রহো।
অধনের হও ধন, অনাথের নাথ হও হে, অবলের বল।
জরাভারাতুরে নবীন করো ওহে সুধাসাগর।।


হে ঠাকুর, প্রানের ঠাকুর, তোমার আলোয় আমরা পথ দেখি। তোমাতে আমরা পাই জীবনের চলার পথের দিশা। আমাদের সমস্ত অভিব্যাক্তি তোমার কথা ধার করেই জানাই। প্রার্থনা করি যেন তোমাতে অবিচল থাকতে পারি সর্বক্ষন।
(তোমার এই ১৫০তম জন্মদিনে তোমাকে নিয়ে একটা প্রবন্ধ লিখতে আর রুচি হচ্ছে না। তোমারই একটা প্রবন্ধের অংশ এখানে তুলে দিলাম।)


অনেকেই বলেন বাঙালিরা ভাবের লোক, কাজের লোক নহে। এইজন্য তাঁহারা বাঙালিদিগকে পরামর্শ দেন ‘Practical হও’ । ইংরাজি শব্দটাই ব্যবহার করিলাম। কারণ, ঐ শব্দটাই চলিত। শব্দটা শুনিলেই সকলে বলিবেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, বটে, এই কথাটাই বলা হইয়া থাকে বটে। আমি তাহার বাংলা অনুবাদ করিতে গিয়া অনর্থক দায়িক হইতে যাইব কেন। (পরবর্তী অংশ)